বুধবার আসতে পারে এলএনজিবাহী জাহাজ, ৭০০ মিলিয়ন ঘনফুটে গ্যাস সরবরাহ

মহেশখালীর ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল দুটির মাধ্যমে জাতীয় গ্রিডে বর্তমানে প্রতিদিন ৭০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে। নির্ধারিত সময়ে এলএনজিবাহী কার্গো না আসায় বিশেষ করে এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনাল থেকে সরবরাহ কমে গেছে।

রোববার সকালে দেশীয় সামিট পাওয়ার লিমিটেডের টার্মিনাল থেকে ৫২০ মিলিয়ন ঘনফুট এবং মার্কিন কোম্পানি পরিচালিত এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনাল থেকে ১৮০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়া যাচ্ছিল। সব মিলিয়ে দুটি টার্মিনাল থেকে জাতীয় গ্রিডে যোগ হচ্ছে ৭০০ মিলিয়ন ঘনফুট।

এলএনজি টার্মিনাল ও দেশের গ্যাসক্ষেত্র থেকে পাওয়া গ্যাস মিলিয়ে বর্তমানে মোট সরবরাহ ২ হাজার ৩৩৬ দশমিক ৬ মিলিয়ন ঘনফুট। বিপরীতে দেশে গ্যাসের চাহিদা প্রায় ৩ হাজার ৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট। স্বাভাবিক সময়েও গ্যাস সরবরাহ ২ হাজার ৬০০ থেকে ২ হাজার ৭০০ মিলিয়ন ঘনফুটের মধ্যে থাকে।

মহেশখালীর ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল দুটির সম্মিলিত সরবরাহ সক্ষমতা ১ হাজার ৫০ থেকে ১ হাজার ১০০ মিলিয়ন ঘনফুট। কিন্তু প্রায় দেড় মাস ধরে এলএনজি সংকটের কারণে এই সক্ষমতার পুরোটা ব্যবহার করা যাচ্ছে না। গত দুই সপ্তাহ ধরে টার্মিনাল দুটির সরবরাহ ৭০০ থেকে ৭৫০ মিলিয়ন ঘনফুটের মধ্যে রয়েছে।

এলএনজিবাহী জাহাজ নির্ধারিত সময় অনুযায়ী না আসায় টার্মিনাল দুটির সক্ষমতা অনুযায়ী গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে না। একটি এলএনজিবাহী জাহাজ আসার পর সামিটের টার্মিনাল থেকে সরবরাহ বাড়ানো হলেও পরবর্তী জাহাজ আসতে দেরি হওয়ায় এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনালের সরবরাহ কমিয়ে রাখা হয়েছে।

রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানির এক কর্মকর্তা জানান, পরবর্তী এলএনজিবাহী জাহাজ ১ থেকে ২ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আসার কথা রয়েছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, জাহাজটি ২ সেপ্টেম্বর টার্মিনালে ভিড়তে পারে। এর আগে পর্যন্ত এক্সিলারেট টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ সীমিত থাকবে।

এলএনজি সরবরাহ স্বাভাবিক না হওয়ায় দেশে চলমান গ্যাস সংকটও কাটছে না।

মতামত জানান

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Scroll to Top