লা লিগায় ফাউলের শিকার হওয়ার দিক থেকে গত কয়েক মৌসুমে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের ধারেকাছে নেই কেউ। ২০১৯-২০ মৌসুম থেকে হিসাব করলে রিয়াল মাদ্রিদের ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ডের ওপর প্রতিপক্ষের ফাউলের সংখ্যা ৪৯১। চলতি মৌসুমের দুই ম্যাচের ১০টি ফাউল যোগ হওয়ার পর এই হিসাব ২২৬ ম্যাচে দাঁড়িয়েছে।
স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম ‘এএস’-এর হিসাব অনুযায়ী, ২০১৯-২০ মৌসুম থেকে লা লিগায় ভিনিসিয়ুসই সবচেয়ে বেশি ফাউলের শিকার হওয়া খেলোয়াড়। তাঁর পরেই আছেন ভিয়ারিয়ালের মিডফিল্ডার দানি পেরেয়ো, যদিও একই সময়ে তিনি ভিনির চেয়ে ৪৩টি ম্যাচ কম খেলেছেন।
চলতি মৌসুমেও ভিনিসিয়ুসকে থামাতে প্রতিপক্ষের ফাউলের প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। এস্পানিওলের বিপক্ষে রিয়ালের প্রথম ম্যাচে তাঁকে ৮ বার ফাউল করা হয়। এরপর রিয়াল সোসিয়েদাদের বিপক্ষে গতকাল রাতে আরও দুবার ফাউলের শিকার হন তিনি।
ভিনিসিয়ুসের ওপর এত বেশি ফাউল হলেও সেসবের শাস্তি হিসেবে প্রতিপক্ষ কতটা কার্ড দেখছে, সেখানেই বড় পার্থক্য দেখা যাচ্ছে বার্সেলোনার তরুণ তারকা লামিনে ইয়ামালের সঙ্গে। ‘এএস’-এর পরিসংখ্যান বলছে, লা লিগায় ভিনিসিয়ুসকে গড়ে ১৬ বার ফাউল করার পর তাঁকে ফাউল করা খেলোয়াড় একটি হলুদ কার্ড দেখেন। ইয়ামালের ক্ষেত্রে মাত্র তিনটি ফাউলের পরই একটি হলুদ কার্ড দেখা হয়।
লাল কার্ডের হিসাবেও দুই খেলোয়াড়ের মধ্যে ব্যবধান রয়েছে। ভিনিসিয়ুসকে গড়ে ৬৮ বার ফাউল করার পর তাঁর প্রতিপক্ষের কোনো একজন খেলোয়াড় লাল কার্ড দেখেছেন। ইয়ামালের ক্ষেত্রে গড়টি ১১ ফাউল।
চ্যাম্পিয়নস লিগের পরিসংখ্যানেও ভিনিসিয়ুসের ওপর প্রতিপক্ষের ফাউলের আধিক্য স্পষ্ট। ২০১৯-২০ মৌসুম থেকে ইউরোপের শীর্ষ ক্লাব প্রতিযোগিতায় সবচেয়ে বেশি, মোট ১৩১ বার ফাউলের শিকার হয়েছেন এই ব্রাজিলিয়ান। তবে সেখানে ভিনি ও ইয়ামালের ক্ষেত্রে কার্ডের হিসাব ভিন্ন। চ্যাম্পিয়নস লিগে দুজনের ক্ষেত্রেই গড়ে প্রতি তিনটি ফাউলের বিপরীতে প্রতিপক্ষের একজন খেলোয়াড় হলুদ কার্ড দেখেছেন।
রিয়ালে ভিনিসিয়ুস যতটা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছেন, তাঁর ওপর প্রতিপক্ষের ফাউলের সংখ্যাও ততটাই বেড়েছে। বিশেষ করে বাঁ প্রান্ত দিয়ে বল নিয়ে ড্রিবল করে আক্রমণে ওঠার সময় তাঁকে থামাতে ডিফেন্ডারদের ফাউল করার প্রবণতা বেশি দেখা যায়।


