সড়ক দুর্ঘটনা কমাতে ২০৩০ সালের মধ্যে অর্ধেকে নামানোর লক্ষ্য

সড়ক দুর্ঘটনা কমাতে ২০৩০ সালের মধ্যে তা অর্ধেকে নামিয়ে আনার লক্ষ্য সরকারের। এ জন্য অনিয়ন্ত্রিত গতি, ফিটনেসবিহীন যানবাহন ও চালকের দক্ষতার ঘাটতিসহ দুর্ঘটনার প্রধান কারণগুলো চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

সোমবার (২৪ আগস্ট) সকালে তেজগাঁওয়ের সড়ক ভবনে জরুরি চিকিৎসায় অ্যাম্বুলেন্স ও মোটরসাইকেল সার্ভিসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

সড়কমন্ত্রী বলেন, দেশে প্রতিবছর প্রায় ৫ হাজার মানুষ সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারাচ্ছেন। দুর্ঘটনা কমাতে আইন প্রয়োগের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার।

দুর্ঘটনার পেছনে কয়েকটি প্রধান কারণের কথা উল্লেখ করে শেখ রবিউল আলম বলেন, ফিটনেসবিহীন যানবাহনের পাশাপাশি ফিটনেসবিহীন চালকরাও বড় সমস্যা। তার ভাষ্য অনুযায়ী, দেশের অধিকাংশ চালক যথাযথ প্রশিক্ষণ ছাড়াই হেলপার থেকে চালক হয়েছেন। এর সঙ্গে মানুষের সচেতনতার অভাব ও অনিয়ন্ত্রিত গতিও দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ।

সড়ক দুর্ঘটনার পর দ্রুত চিকিৎসা নিশ্চিত করার বিষয়েও পরিকল্পনার কথা জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, মহাসড়কের পাশের হাসপাতালগুলোতে আলাদা ইউনিট গঠন করা হবে। পাশাপাশি মহাসড়কের ১০ কিলোমিটারের মধ্যে অ্যাম্বুলেন্সের উপস্থিতি নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

অনুষ্ঠানে ২০২৭ সালের মধ্যে নতুন নিরাপদ সড়ক আইন প্রণয়নের কথাও জানান তিনি।

এদিন দুর্ঘটনার পর জরুরি চিকিৎসাসেবা জোরদারে ৬০টি বেসিক লাইফ সাপোর্ট অ্যাম্বুলেন্স ও ৪০টি মোটরসাইকেল অ্যাম্বুলেন্স উদ্বোধন করা হয়। একই অনুষ্ঠানে হাইওয়ে পুলিশের জন্য ৮০টি প্যাট্রোল মোটরসাইকেলও চালু করা হয়।

মতামত জানান

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Scroll to Top