টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শেষ হয়েছে কিন্তু সব দল দেশে ফিরতে পারেনি এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে। অবশেষে আজ আইসিসি জানাল, দক্ষিণ আফ্রিকা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের সব সদস্য ভারত ছেড়ে নিজ নিজ দেশের পথে রওনা হয়েছেন।
কেন আটকে পড়েছিলেন
পশ্চিম এশিয়ায় চলমান সংকটের কারণে একাধিক দেশের আকাশসীমা বন্ধ বা সীমিত হয়ে পড়ে। চার্টার্ড ফ্লাইটে খেলোয়াড়দের ফেরানোর চেষ্টা বারবার বিলম্বিত হয়েছে।
ওয়েস্ট ইন্ডিজ ১ মার্চ সুপার এইটে ভারতের কাছে হেরে বিদায় নেয়। দক্ষিণ আফ্রিকা বিদায় নেয় ৪ মার্চ সেমিফাইনালে নিউজিল্যান্ডের কাছে হেরে। কিন্তু এরপরও দুই দলই আটকে ছিল ভারতে।

ইংল্যান্ড আগে ফেরায় বিতর্ক
দুই দলের পরে বিদায় নিয়েও ইংল্যান্ড আগে দেশে ফিরতে পেরেছে। ৫ মার্চ সেমিফাইনালে হেরে মাত্র দুই দিনের মধ্যেই ৭ মার্চ চার্টার্ড ফ্লাইটে দেশে ফেরেন হ্যারি ব্রুকরা।
এ নিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের কোচ ড্যারেন স্যামি সামাজিক মাধ্যমে একাধিকবার হতাশা প্রকাশ করেন। দক্ষিণ আফ্রিকার কুইন্টন ডি কক ও ডেভিড মিলারও আইসিসির বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তোলেন। তবে আইসিসি গতকাল এই অভিযোগ সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে।
আইসিসির ব্যাখ্যা
আইসিসি বলেছে, পুরো সময় জুড়ে তাদের দল সরকার, এয়ারলাইনস, বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ ও সদস্য বোর্ডগুলোর সঙ্গে একযোগে কাজ করেছে। পরিস্থিতির পরিবর্তনের সঙ্গে বারবার পরিকল্পনা বদলাতে হয়েছে। সব খেলোয়াড়ের নিরাপদ প্রত্যাবর্তনই ছিল লক্ষ্য।
এর মধ্যে ৮ মার্চ ফাইনালে নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতে নেয় ভারত।


