পুরো ম্যাচটা মনের মতো হয়নি। বেশিরভাগ সময় চাপে থেকেছে, ৮৬ মিনিটে গোল হজম করেছে। তারপর ইনজুরি টাইমে পেনাল্টি পেয়ে সেটা গোলে পরিণত করেছেন ১৭ বছরের ইয়ামাল। চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ ষোলোয় নিউক্যাসলের মাঠে ১-১ সমতায় ম্যাচ শেষ করল বার্সেলোনা। তবে এই ড্রয়ে স্বস্তির চেয়ে উদ্বেগই বেশি।
শুরু থেকেই চাপে বার্সা
সেন্ট জেমস পার্কে নিউক্যাসল শুরু থেকেই ছিল আক্রমণমুখী। প্রথমার্ধে একের পর এক সুযোগ তৈরি করেছে তারা। বার্সেলোনার গোলরক্ষক হোয়ান গার্সিয়া ও রক্ষণ মিলে সেগুলো সামলে নেন। একপর্যায়ে কর্নার থেকে টোনালির হেড গোললাইন পর্যন্ত পৌঁছে যায়, পাউ কুবারসি শেষ মুহূর্তে বিপদমুক্ত করেন।
দ্বিতীয়ার্ধে কিছুটা ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে বার্সেলোনা। লেভানদোস্কির একটি শট পোস্টের বাইরে দিয়ে বেরিয়ে না গেলে সমীকরণটা ভিন্ন হতে পারত।

বার্নসের গোলে এগিয়ে নিউক্যাসল
৮৬ মিনিটে সেই আশঙ্কাই সত্যি হলো। ডান দিক থেকে জ্যাকব মারফির ক্রসে হার্ভে বার্নস গোল করেন। বল গোলরক্ষকের গায়ে লেগে জালে ঢুকে যায়। সেন্ট জেমস পার্কের গ্যালারি তখন উল্লাসে ফেটে পড়ে।
ইয়ামালের পেনাল্টিতে শেষ মুহূর্তের রক্ষা
মনে হচ্ছিল হেরেই ফিরতে হবে। কিন্তু ইনজুরি টাইমে বক্সের মধ্যে দানি ওলমোকে ফাউল করা হলে পেনাল্টি পায় বার্সেলোনা। স্পটকিকে এগিয়ে এলেন তরুণ তারকা লমিনে ইয়ামাল। নিউক্যাসলের গোলরক্ষক রামসদালে ভুল দিকে ঝাঁপ দিলেন, বল জালে গেল নিশ্চিতভাবে।
শেষ মুহূর্তের সেই পেনাল্টিতে সমতা ফিরল। ১-১ গোলে শেষ হলো প্রথম লেগ।
এখন সব নির্ভর করছে ক্যাম্প ন্যুতে
এই ড্রয়ে দুই দলের সামনেই সুযোগ খোলা রইল। আগামী সপ্তাহে ক্যাম্প ন্যুতে দ্বিতীয় লেগে ঠিক হবে কোয়ার্টার ফাইনালে যাবে কে। ঘরের মাঠে বার্সেলোনা সুবিধাজনক অবস্থানে থাকবে, তবে নিউক্যাসলের এই পারফরম্যান্স বলছে, লড়াইটা মোটেও সহজ হবে না।


