প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন বলেছেন, বাংলাদেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ ও প্রতিবেশীসুলভ সম্পর্ক বজায় রাখতে হলে ভারতকে সীমান্ত হত্যা ও পুশইন বন্ধ করতে হবে। দুই দেশের সম্পর্ক মর্যাদা, পারস্পরিক মূল্যায়ন ও উভয় দেশের স্বার্থ সুরক্ষার ভিত্তিতে গড়ে উঠতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
শনিবার (২২ আগস্ট) দুপুরে ঝিনাইদহ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসক ও নার্সদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন রাশেদ খাঁন।
ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক সম্পর্কের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের সময়ে দুই দেশের মধ্যে ‘স্বামী-স্ত্রীর মতো কিংবা রাখি বাঁধার সম্পর্ক’ ছিল। তবে এখন আওয়ামী লীগ নেই এবং বাংলাদেশের নেতৃত্বে বিএনপি রয়েছে। তাই ভারতের উচিত বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে নতুন করে সম্পর্ক গড়ে তোলা।
রাশেদ খাঁন বলেন, ভারতের বর্তমান রাষ্ট্রদূত একজন প্রবীণ রাজনীতিবিদ। তিনি বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে ভারত সম্পর্ক স্থাপন করতে চায় বলে যে বক্তব্য দিয়েছেন, সেটিকে প্রশংসনীয় মনোভাব হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।
তার ভাষ্য, ভারত এরই মধ্যে বিএনপির ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগান গ্রহণ করেছে।
এর আগে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় হাসপাতালের বিভিন্ন সংকট ও সীমাবদ্ধতা নিয়ে আলোচনা করেন রাশেদ খাঁন।
সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা সিভিল সার্জন ডা. মো. কামরুজ্জামান, জেলা পরিষদের প্রশাসক এমএ মজিদ, ড্যাবের কেন্দ্রীয় নেতা ডা. হাসানুজ্জামানসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।


