গাজ্জা সিটির দক্ষিণ-পশ্চিমে আল-রাশিদ সড়কে ড্রোন হামলায় গাজ্জার পুলিশপ্রধান কর্নেল জামাল আবু কামিল নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) একটি গাড়িকে লক্ষ্য করে চালানো এ হামলায় আরও দুজন নিহত হন।
গাজ্জার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, আবু কামিলকে বহনকারী গাড়িতে ড্রোন থেকে তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়। এতে ৪৩ বছর বয়সী এই পুলিশ কর্মকর্তা নিহত হন।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গাজ্জায় ইসরাইলের এক সপ্তাহের বিমান হামলার বিরতি শেষ হওয়ার এক দিন পর এ ঘটনা ঘটে। তবে বিরতির সময়ও প্রাণঘাতী স্থল হামলা অব্যাহত ছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

ইসরাইলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, আবু কামিলকে তারা ‘হুমকি’ হিসেবে বিবেচনা করে হামলার লক্ষ্যবস্তু করেছিল। তাদের দাবি, তিনি হামাসের একজন কমান্ডার ছিলেন। তবে এ দাবির পক্ষে কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করেনি ইসরাইলি বাহিনী।
গাজ্জার পুলিশ বাহিনী ইসরাইলের এই দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে। এক বিবৃতিতে তারা জানিয়েছে, আবু কামিল পুলিশের দায়িত্ব পালনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ছিলেন এবং অন্য কোনো কর্মকাণ্ডের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক ছিল না।
হামাসও আবু কামিল হত্যার নিন্দা জানিয়েছে। সংগঠনটি ঘটনাটিকে ফিলিস্তিনি জনগণের বিরুদ্ধে সংঘটিত নৃশংসতার ধারাবাহিকতা হিসেবে উল্লেখ করেছে। একই সঙ্গে হামাসের দাবি, গাজ্জায় বিশৃঙ্খলা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানোর প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে এ ধরনের হামলা চালানো হচ্ছে।
এর আগে বৃহস্পতিবার দক্ষিণ গাজ্জার খান ইউনিসে একটি মোটরসাইকেল লক্ষ্য করেও ইসরাইলি হামলা হয়। ওই ঘটনায় মোটরসাইকেলে থাকা দুজনের একজন নিহত এবং অন্যজন গুরুতর আহত হন।


