পাকিস্তানের স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের সময় করাচির বিভিন্ন এলাকায় আকাশে গুলি ছোড়ার ঘটনায় এক নারী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন ৯৪ জন। আহতদের মধ্যে ১৭ শিশু, ১০ নারী ও ৫৯ পুরুষ রয়েছেন বলে জানিয়েছে উদ্ধারকারী সংস্থা এডি ফাউন্ডেশন।
শুক্রবার (১৪ আগস্ট) পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম জিও নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। এডি ফাউন্ডেশনের এক মুখপাত্র জানান, স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের অংশ হিসেবে আকাশে গুলি ছোড়ার সময় শহরের বিভিন্ন এলাকায় এসব হতাহতের ঘটনা ঘটে।
আহতদের করাচির জিন্নাহ পোস্টগ্র্যাজুয়েট মেডিকেল সেন্টার, সিভিল হাসপাতাল ও আব্বাসি শহীদ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। হাসপাতালগুলোর তথ্য অনুযায়ী, আব্বাসি শহীদ হাসপাতালে ২৪ জন, জিন্নাহ হাসপাতালে ৩৫ জন এবং সিভিল হাসপাতালের ট্রমা সেন্টারে ২৬ জন আহতের চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

করাচির লিয়াকত, সদর, কোরাঙ্গি, মালির, আজিজাবাদ, নর্থ নাজিমাবাদ, নাজিমাবাদ, গুলবাহার, গুলশান-ই-ইকবাল, ওরাঙ্গি টাউন, জামশেদ কোয়ার্টারস ও ডিফেন্সসহ বিভিন্ন এলাকায় আকাশে গুলি ছোড়ার ঘটনা ঘটেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় আকাশে গুলি ছোড়ার অভিযোগে করাচির পূর্ব, পশ্চিম ও কেন্দ্রীয় জেলা থেকে ৩০ জনের বেশি সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
উৎসবের সময় আকাশে গুলি ছোড়া বন্ধে করাচির বাসিন্দাদের বারবার সতর্ক করে আসছে কর্তৃপক্ষ। পুলিশের ভাষ্য, আকাশে ছোড়া গুলি পরে মাটিতে ফিরে এসে নিরীহ মানুষকে গুরুতর আহত বা নিহত করতে পারে।
করাচিতে স্বাধীনতা দিবসে এ ধরনের ঘটনা আগেও ঘটেছে। ২০২৫ সালে আকাশে গুলির ঘটনায় তিনজন নিহত এবং অন্তত ৭৫ জন আহত হয়েছিলেন। এর আগের বছর ২০২৪ সালেও একই ধরনের ঘটনায় প্রায় ৯৫ জন আহত হন।


