ইয়ান দিওমান্দে ১৯ বছর বয়সেই আরবি লাইপজিগ থেকে রিয়াল মাদ্রিদে যোগ দিয়ে ১০৭ মিলিয়ন পাউন্ডের বড় অঙ্কের দলবদলের অংশ হয়েছেন। বোনাসসহ চুক্তির মূল্য ১২০ মিলিয়ন পাউন্ড পর্যন্ত উঠতে পারে।
আইভরিয়ান এই উইঙ্গারের এমন উত্থানের পর সামনে এসেছে কম বয়সে বিপুল অর্থে ক্লাব বদলানো আরও কয়েকজন তরুণের উদাহরণ। তাঁদের মধ্যে কেউ প্রত্যাশা পূরণ করেছেন, আবার কেউ হারিয়ে গেছেন পথের মাঝে।
জুড বেলিংহাম ২০ বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই ৮৮.৫ মিলিয়ন পাউন্ডে রিয়ালে আসেন, যা বোনাসসহ ১১৫ মিলিয়নে পৌঁছায়। স্প্যানিশ ক্লাবটির হয়ে শুরুতেই দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে তিনি লা লিগা ও চ্যাম্পিয়নস লিগ জেতেন।

ম্যাটাইস দি লিখট ১৯ বছর বয়সে আয়াক্সের অধিনায়ক হয়ে নজর কাড়ার পর ৭৭ মিলিয়ন পাউন্ডে জুভেন্টাসে যান। পরে বায়ার্ন মিউনিখ ঘুরে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে গিয়ে নিজের জায়গা ফিরে পাওয়ার চেষ্টা করছেন এই ডিফেন্ডার।
জোয়াও ফেলিক্সের ক্ষেত্রেও ছিল বিশাল প্রত্যাশা। বেনফিকা থেকে আতলেতিকো মাদ্রিদে ১১৩ মিলিয়ন পাউন্ডে যাওয়া এই পর্তুগিজ ফরোয়ার্ড পরে চেলসি, বার্সেলোনা ও এসি মিলানে ধারে খেলেছেন।
তবে তরুণদের মধ্যে কিলিয়ান এমবাপ্পের সাফল্য সবচেয়ে উজ্জ্বল। পিএসজিতে ২৬৪ ম্যাচে ২৩৫ গোল ও ছয়টি লিগ শিরোপা জেতার পর রিয়াল মাদ্রিদে গেছেন তিনি। এবার দিওমান্দের রিয়াল-অধ্যায় কোন দিকে যায়, সেটিই দেখার।


