ভারত মহাসাগরের দ্বীপ ডিয়েগো গার্সিয়ায় যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের যৌথ সামরিক ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেছে ইরান। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এসমাইল বাগায়ি বললেন, এটি ইসরায়েলের ফলস ফ্ল্যাগ হামলা এবং ডিসইনফরমেশনের অংশ।
ন্যাটো মহাসচিবও নিশ্চিত করেননি
ইসরায়েল দাবি করেছে, ইরান চার হাজার কিলোমিটার পাল্লার দুই স্তরের আন্তমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে। কিন্তু ন্যাটো মহাসচিব মার্ক রুটে ইসরায়েলের এই দাবি নিশ্চিত করতে অস্বীকার করেছেন।
বাগায়ি বললেন, ন্যাটো মহাসচিব পর্যন্ত যখন ইসরায়েলের দাবি সমর্থন করেননি, তাতেই বোঝা যাচ্ছে বিশ্ব এই ফলস ফ্ল্যাগ গল্পে বিশ্বাস রাখছে না।

যুক্তরাজ্যের স্বীকারোক্তি
ব্রিটিশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী জন হিলি পার্লামেন্টে বললেন, দুটি ক্ষেপণাস্ত্র ডিয়েগো গার্সিয়ার দিকে ছোড়া হয়েছিল। একটি লক্ষ্যে পৌঁছানোর আগেই থেমে গেছে, অন্যটি ঠেকিয়ে দেওয়া হয়েছে। ঘাঁটিতে কোনো ক্ষতি হয়নি এবং স্বাভাবিক কার্যক্রম চলছে।
যদি ইরান সত্যিই এই হামলা চালিয়ে থাকে তাহলে তাদের কাছে চার হাজার কিলোমিটার পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে বলে প্রমাণিত হতো। এই পাল্লা লন্ডন পর্যন্ত পৌঁছাতে সক্ষম। তবে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আগেই বলেছিলেন, তারা ইচ্ছাকৃতভাবে দুই হাজার কিলোমিটারের নিচে পাল্লা সীমিত রেখেছেন।


