গত টি-টোয়েন্টি সিরিজে মিরপুরের উইকেট নিয়ে কড়া সমালোচনা করেছিলেন পাকিস্তানের কোচ মাইক হেসন। এবার একই মাঠে আরও বড় হার, কিন্তু উইকেটের দিকে আঙুল তুললেন না। বরং সরাসরি বললেন, উইকেট ভালো ছিল, পার্থক্যটা গড়ে দিয়েছেন নাহিদ রানা। এই সততা হেসনকে আলাদা উচ্চতায় রাখল।
নাহিদ না আসা পর্যন্ত ঠিকঠাকই ছিল
হেসন স্বীকার করলেন, নাহিদ বোলিংয়ে আসার আগ পর্যন্ত পাকিস্তান মোটামুটি স্বাভাবিকভাবেই এগোচ্ছিল। কিন্তু নাহিদ এসেই সব বদলে দিলেন।
কোচের ভাষায়, নাহিদ উইকেট টু উইকেট বল করেছেন, বোলিংয়ে বৈচিত্র ছিল, ভালো বাউন্সার করেছেন। যা পেয়েছেন তার সবটাই তার প্রাপ্য।

প্রথমবার সরাসরি দেখলেন, মুগ্ধ হলেন
হেসন জানালেন, আগে টেলিভিশনে নাহিদকে দেখেছেন, কিন্তু সরাসরি মাঠে দেখলেন এই প্রথম। ওয়ার্ম-আপ থেকেই তার টাইমিং ও ছন্দ ভালো মনে হচ্ছিল। সিম উপস্থাপনা, ক্রস-সিম, গতি ও আগ্রাসন সব মিলিয়ে নাহিদকে খুব প্রতিশ্রুতিশীল বোলার বলেই মনে করেন পাকিস্তান কোচ।
ব্যাটিং নিয়ে লজ্জা লুকালেন না
নিজের দলের ব্যাটিং পারফরম্যান্স নিয়ে হেসন একটুও মুখ ফেরাননি। সরাসরি বললেন, এটা হতাশাজনক ছিল। শুধু তরুণরা নয়, পুরো দলই ভালো বোলিংয়ের সামনে খোলসে আবৃত হয়ে গিয়েছিল।
তবে ভবিষ্যতের ব্যাপারে আশাবাদী থাকলেন হেসন। বললেন, তরুণদের কঠিন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে শিখতে হবে। পরের দুটি ওয়ানডেতে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টাই থাকবে দলের।
পরাজয়ের মধ্যেও সম্মানের জায়গা
এই পরাজয়ে পাকিস্তান নিঃসন্দেহে ধাক্কা খেয়েছে। কিন্তু হেসনের সৎ স্বীকারোক্তি এবং নাহিদকে দেওয়া প্রাপ্য কৃতিত্ব প্রমাণ করে, পরাজয়ের মধ্যেও সম্মানের জায়গাটা রক্ষা করা যায়।


