এর চেয়ে খারাপ সময় আর কী হতে পারত। ব্রাজিলের কোচ কার্লো আনচেলত্তি রিও ডি জেনেইরো ছেড়ে সাও পাওলোতে গেলেন শুধু নেইমারকে সরাসরি দেখতে। কিন্তু সেই নেইমারই মাঠে নামলেন না। মাংসপেশির ক্লান্তির কারণে বুধবার মিরাসোলের বিপক্ষে ম্যাচে বসে থাকতে হলো ব্রাজিলের সর্বোচ্চ গোলদাতাকে।
সতর্কতার নামে হতাশার খবর
সান্তোস এফসি জানিয়েছে, নেইমারের না খেলার সিদ্ধান্তটি সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে নেওয়া হয়েছে। কিন্তু সময়টা যে কতটা বেমানান, সেটা সবাই বুঝছেন।
ব্রাজিলিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন ও জাতীয় দলের টেকনিক্যাল কমিটির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছে, এই ঘটনায় বিস্মিত ও হতাশ হয়েছেন আনচেলত্তি এবং সিবিএফ কর্মকর্তারা। তারা চেয়েছিলেন কাছ থেকে নেইমারকে মূল্যায়ন করতে।

স্কোয়াডে জায়গা এখন অনিশ্চিত
আগামী ১৬ মার্চ ঘোষণা হবে ব্রাজিলের জাতীয় দলের স্কোয়াড। সেই দল ২৬ ও ৩১ মার্চ ফ্রান্স ও ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে মাঠে নামবে। এই ম্যাচগুলোই হবে বিশ্বকাপের আগে ব্রাজিলের শেষ আন্তর্জাতিক সূচি।
মাত্র একদিন আগেও খবর ছিল, প্রাথমিক স্কোয়াডে নেইমারকে বিবেচনায় রাখা হচ্ছে। কিন্তু আজকের ঘটনার পর সেই সম্ভাবনা বড় ধরনের ধাক্কা খেয়েছে।
আনচেলত্তির শর্ত স্পষ্ট
ব্রাজিল কোচ আগেই জানিয়ে দিয়েছিলেন, শুধু সম্পূর্ণ ফিট এবং দলের শারীরিক চাহিদা মেটাতে সক্ষম খেলোয়াড়দেরই তিনি দলে নেবেন। নেইমারের আজকের অনুপস্থিতি সেই মানদণ্ড পূরণের প্রশ্নটাকে আরও জটিল করে তুলল।
আনচেলত্তি অবশ্য তার নির্ধারিত সফর বাতিল করেননি। কারণ সফর বাতিল করলে বোঝা যেত, শুধু নেইমারের জন্যই তিনি এসেছিলেন।
চোটের দীর্ঘ ছায়া
ব্রাজিলের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতা নেইমার, ১২৮ ম্যাচে ৭৯ গোল। কিন্তু ২০২৩ সালের অক্টোবরের পর থেকে চোটের কারণে জাতীয় দলের হয়ে একটি ম্যাচও খেলতে পারেননি তিনি। সেই দীর্ঘ অনুপস্থিতির পর ফেরার দরজাটা এবারও একটু সংকুচিত হয়ে গেল।


