সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য প্রস্তাবিত নবম পে-স্কেলের খসড়া পরিকল্পনা চূড়ান্ত অনুমোদন ও নীতিগত সিদ্ধান্তের জন্য মন্ত্রিসভায় উঠতে যাচ্ছে। সচিব কমিটি এ বিষয়ে সুপারিশমালা প্রস্তুত করেছে। অর্থ বিভাগ প্রধানমন্ত্রীর সম্মতি সাপেক্ষে আগামী সপ্তাহের মধ্যেই প্রস্তাবটি মন্ত্রিসভায় উপস্থাপন করতে পারে বলে জানা গেছে।
প্রস্তাবিত বেতন কাঠামোয় সরকারি কর্মচারীদের মূল বেতন সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে। একই সঙ্গে নিম্ন গ্রেডের কর্মচারীদের বেতন ও সুযোগ-সুবিধা উচ্চ গ্রেডের তুলনায় বেশি হারে বাড়ানোর নীতি রাখা হয়েছে।
নতুন পে-স্কেল দুই ধাপে কার্যকর করার প্রস্তাবও রয়েছে। প্রথম ধাপে শুধু মূল বেতন বাড়ানো হবে। এরপর দ্বিতীয় ধাপে চিকিৎসা ও অন্যান্য ভাতা যুক্ত করার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

বুধবার মন্ত্রিপরিষদ সচিবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের এক বৈঠকে খসড়া প্রস্তাবটি অনুমোদন করা হয়। তবে এর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা মন্ত্রিসভার হাতে থাকবে। মন্ত্রিসভা চাইলে প্রস্তাবটিতে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন বা পরিমার্জন করতে পারবে।
খসড়া রূপরেখা অনুযায়ী, নবম পে-স্কেলের প্রাথমিক অংশ চলতি ২০২৬ সালের জুলাই থেকেই কার্যকর হিসেবে গণ্য করার পরিকল্পনা রয়েছে। আর এর পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন ২০২৮ সালের জানুয়ারির মধ্যে শেষ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।
এদিকে বিচার বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পে-স্কেল নিয়ে থাকা কিছু আইনি জটিলতা নিরসনে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর নেতৃত্বে সাত সদস্যের একটি বিশেষ কমিটি গঠন করেছে সরকার। এসব জটিলতার যৌক্তিক সমাধান নিয়ে বৃহস্পতিবার অর্থ মন্ত্রণালয়ে কমিটির বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।


