২০২৭ সালের হজ মৌসুমে বাংলাদেশ থেকে হজযাত্রী পাঠানোর অনুমোদন পেয়েছে আরও ৩৮টি হজ এজেন্সি। নতুন এজেন্সিগুলো যুক্ত হওয়ায় আগামী হজ কার্যক্রমের জন্য অনুমোদিত এজেন্সির মোট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬৬০টিতে।
ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় বৃহস্পতিবার (২৬ আগস্ট) ২০২৭ সালের হজ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য অনুমোদিত এজেন্সিগুলোর হালনাগাদ তালিকা প্রকাশ করে। একই সঙ্গে হজযাত্রী নিবন্ধন ও এজেন্সির কার্যক্রম পরিচালনায় কয়েকটি নির্দেশনা দিয়েছে মন্ত্রণালয়।
নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রতিটি হজযাত্রীকে অনলাইনভিত্তিক ‘ই-হজ’ ব্যবস্থায় নিবন্ধন করতে হবে। এই অনলাইন নিবন্ধনকেই হজযাত্রী ও সংশ্লিষ্ট এজেন্সির মধ্যকার চুক্তি হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় সতর্ক করে জানিয়েছে, নির্ধারিত নিয়ম না মেনে অনলাইন নিবন্ধন ছাড়াই কোনো ব্যক্তিকে সৌদি আরবে পাঠালে সংশ্লিষ্ট এজেন্সির বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এমনকি এ ধরনের ঘটনায় এজেন্সির পরিচালন লাইসেন্স বাতিল হতে পারে। প্রয়োজনে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দিয়েও লাইসেন্স বাতিল এবং আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।
নিবন্ধনের সময় হজ এজেন্সিকে সৌদি আরবে হজযাত্রীদের জন্য দেওয়া সেবার বিবরণ, অবস্থানের সময়কাল, হোটেল থেকে হজের বিভিন্ন স্থান ও পবিত্র স্থানগুলোর দূরত্ব এবং প্যাকেজের মোট খরচসহ প্রয়োজনীয় তথ্য দিতে হবে।
সরকারি নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, একটি এজেন্সি অথবা একাধিক এজেন্সির সমন্বয়ে গঠিত গ্রুপকে কমপক্ষে ৪৪ জন হজযাত্রী নিবন্ধন করতে হবে। প্রতি ৪৪ জন হজযাত্রীর জন্য একজন দক্ষ গাইড নিয়োগের বাধ্যবাধকতাও রয়েছে।
নিয়োগপ্রাপ্ত গাইডকে সৌদি আরবের ভাষা, প্রযুক্তি ব্যবহারের পাশাপাশি হজের বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা ও হজযাত্রীদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়ার বিষয়ে দক্ষ হতে হবে। সৌদি কর্তৃপক্ষ নির্ধারিত কোটা পূরণে একাধিক হজ এজেন্সি পারস্পরিক সমন্বয়ের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় সংখ্যক হজযাত্রী নিবন্ধন করতে পারবে।
২০২৭ সালের হজ কার্যক্রম সুষ্ঠু ও নিয়মতান্ত্রিকভাবে পরিচালনার জন্য অনলাইন নিবন্ধন, প্যাকেজের তথ্য স্বচ্ছভাবে প্রকাশ এবং প্রশিক্ষিত গাইড নিয়োগের বিষয়গুলোতে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার।


