প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, একটি চক্র পরিকল্পিতভাবে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করছে। একই সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, সরকার গ্যাস ও বিদ্যুতের পুরোনো সংকট কাটিয়ে দেশকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফেরাতে কাজ শুরু করেছে।
গত শনিবার ড্যাবের ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর চিকিৎসক সমাবেশে তিনি বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার সময় সরকার একটি ভঙ্গুর রাষ্ট্র পেয়েছে। জ্বালানি খাতে আগের অপরিকল্পিত পরিকল্পনা ও প্রকল্পের প্রভাবের পাশাপাশি বৈশ্বিক সংকটও বর্তমান পরিস্থিতিকে আরও কঠিন করেছে।
তবে গ্যাস-বিদ্যুতের সংকট যে বাস্তব, তা অস্বীকার করার সুযোগ নেই। নিউ এজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাজশাহী বিভাগে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রায় ২০ ঘণ্টা লোডশেডিং হচ্ছে, যা শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় বড় চাপ তৈরি করছে।

গ্যাস ও বিদ্যুতের ঘাটতি শিল্পকারখানার উৎপাদন, বিনিয়োগ ও বাণিজ্যেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। পর্যাপ্ত জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত না হলে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বাড়ানোর সরকারি উদ্যোগও বাধার মুখে পড়তে পারে।
আগামী ১৭ আগস্ট সরকারের ছয় মাস পূর্ণ হবে। এ সময়ের মধ্যে সংকট কতটা নিয়ন্ত্রণে আনা যায়, সেটি সরকারের কার্যকারিতা মূল্যায়নের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠবে।
সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র থাকলেও শুধু সেই কারণ দেখিয়ে সংকটের সমাধান সম্ভব নয়। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা, বাস্তবায়ন সক্ষমতা এবং দ্রুত পদক্ষেপের মাধ্যমে গ্যাস-বিদ্যুতের পরিস্থিতি সহনীয় পর্যায়ে আনার উদ্যোগ নিতে হবে।


