সরকারের ঘোষিত ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনার সময়সীমা শেষ হওয়ার আগে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের কাজের মূল্যায়ন শুরু হয়েছে। এ মূল্যায়নের ভিত্তিতে মন্ত্রিসভায় কয়েকজনের বাদ পড়া, দপ্তর পুনর্বণ্টন এবং নতুন মুখ অন্তর্ভুক্তির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে বলে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও গোয়েন্দা সূত্রের বরাতে জানা গেছে।
সূত্রগুলো বলছে, ইতোমধ্যে বিভিন্ন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর কর্মদক্ষতা সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে এবং সেগুলো পর্যালোচনা চলছে। মন্ত্রণালয়গুলোকেও নিজেদের ছয় মাসের কার্যক্রম প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে জমা দিতে বলা হয়েছে।
প্রথম ১৮০ দিনের অগ্রাধিকার কর্মসূচির মধ্যে কৃষক কার্ড, ফ্যামিলি কার্ড, কৃষিঋণ মওকুফ, খাল পুনঃখনন, বাজার নিয়ন্ত্রণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, স্বাস্থ্যসেবা, বিদ্যুৎ সরবরাহ ও পরিবেশ সুরক্ষার মতো বিষয় ছিল। এসব ক্ষেত্রে কিছু অগ্রগতি হলেও দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান, কর্মমুখী শিক্ষা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সরকারের সমালোচনা রয়েছে।

সূত্রের দাবি, একাধিক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা কয়েকজনকে একটি দপ্তরে রেখে অন্য দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে। পাশাপাশি কয়েকজন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর পরিবর্তন এবং নতুন করে কয়েকজনকে মন্ত্রিসভায় নেওয়ার বিষয়টি আলোচনায় রয়েছে।
তবে মন্ত্রিসভায় বড় ধরনের পরিবর্তনের আগে আগামী ২০ আগস্টের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার। নির্বাচন শেষ হওয়ার পর ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনার সার্বিক মূল্যায়ন করে রদবদলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে।


